zd22 কীভাবে শুরু হয়েছিল?
২০১৯ সালের কথা। বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং তখন সবে পরিচিতি পাচ্ছে, কিন্তু বাংলা ভাষায় কোনো ভালো প্ল্যাটফর্ম ছিল না। বেশিরভাগ সাইট ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি বাংলাদেশের জন্য উপযুক্ত নয়, সাপোর্টও পাওয়া কঠিন। ঠিক এই সমস্যা সমাধানের জন্যই zd22-এর জন্ম।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা নিজেরাও বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং কমিউনিটির অংশ ছিলেন। তারা বুঝেছিলেন — বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমী, ফুটবলপাগল মানুষগুলো একটা নিরাপদ, বাংলায় পরিচালিত প্ল্যাটফর্ম চায়। সেই চিন্তা থেকেই গড়ে উঠেছে zd22।
শুরুতে মাত্র কয়েকটি স্পোর্টস মার্কেট দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজ zd22-এ রয়েছে ৩০টিরও বেশি স্পোর্টস ক্যাটাগরি, ৫০০+ স্লট গেম, লাইভ ক্যাসিনো, ফিশ গেম এবং ই-স্পোর্টস বেটিং। পাঁচ বছরের কম সময়ে আমরা পৌঁছে গেছি ৫০ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্যের কাছে।
আমাদের মূল বিশ্বাস: প্রতিটি ব্যবহারকারী সম্মান পাওয়ার যোগ্য। সে ৳২০০ ডিপোজিট করুক বা ৳২০,০০০ — সেবার মান একই থাকবে। এই বিশ্বাস থেকেই zd22 আজ যেখানে আছে।
আমাদের মিশন কী?
zd22-এর মিশন একটাই — বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষকে একটি নিরাপদ, ন্যায্য ও আনন্দময় অনলাইন বেটিং অভিজ্ঞতা দেওয়া। আমরা চাই একজন রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে একজন প্রকৌশলী — সবাই যেন সহজে, নিজের ভাষায় এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।
আমরা বিশ্বাস করি, বিনোদন হওয়া উচিত সহজলভ্য এবং দায়িত্বশীল। তাই zd22-এ দায়িত্বশীল গেমিং টুলস রয়েছে — ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং সচেতনতামূলক বার্তা। আমরা চাই আমাদের ব্যবহারকারীরা বিনোদন নিন, কিন্তু সীমা বজায় রাখুন।
আমাদের দলের পরিচয়
zd22-এর পেছনে রয়েছে একটি নিবেদিতপ্রাণ দল। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গেমিং বিশেষজ্ঞ, ফিনটেক পেশাদার এবং বাংলাভাষী কাস্টমার সাপোর্ট টিম মিলিয়ে প্রায় ২০০ জনের বেশি মানুষ প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছেন শুধু আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করতে।
রাহুল আহমেদ
১৫ বছরের গেমিং ইন্ডাস্ট্রি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। বাংলাদেশে ডিজিটাল বিনোদন প্রসারে অগ্রণী ভূমিকায়।
তানভীর হাসান
সিলিকন ভ্যালি ও ঢাকায় কাজ করার অভিজ্ঞতা। প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা ও গতি নিশ্চিত করেন।
নাজমা বেগম
৫০ জনের বাংলাভাষী সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। ব্যবহারকারীর সমস্যা দ্রুত সমাধানে বিশেষজ্ঞ।
করিম সরকার
বিকাশ, নগদ ও রকেটের সাথে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার কারিগর। নিরবচ্ছিন্ন পেমেন্ট নিশ্চিত করেন।